এই প্রান্তিকে দেশের স্টার্টআপ খাত নতুন মাইলফলক ছুঁয়েছে; স্থানীয় কোম্পানিগুলো সম্মিলিতভাবে ১৫ কোটি ডলার ভেঞ্চার মূলধন সংগ্রহ করেছে, যা শিল্পের তথ্য অনুযায়ী সর্বোচ্চ প্রান্তিক রেকর্ড।
মোট বিনিয়োগের প্রায় ৬০ শতাংশ এসেছে ফিনটেক ও লজিস্টিকস স্টার্টআপে। একাধিক আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী এই তহবিল সংগ্রহে অংশ নিয়েছেন, যা বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে বৈশ্বিক আস্থা বাড়ার ইঙ্গিত দেয়।
বিশ্লেষকরা বলছেন, দ্রুত সম্প্রসারিত ইন্টারনেট ব্যবহারকারী, উন্নত ডিজিটাল পেমেন্ট অবকাঠামো ও তরুণ প্রযুক্তিপ্রেমী জনগোষ্ঠীর কারণেই এই গতি। তবে উদ্যোক্তারা এই ধারা ধরে রাখতে সহজ নীতিমালা ও বিদেশি মূলধনে সহজ প্রবেশাধিকারের দাবি জানিয়েছেন।